জমানো শত সুখের দরে অযাচিত দুঃখ কিনি
খু্শির হাজারো মুহুর্তগুলো হাওয়ায় উড়ে যায় আপনি।
যারে আমি কাছে টানি ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে
ফেরায় সে শূন্য হাতে আমা হতে মুখ ফিরিয়ে।
জমানো শত সুখের দরে অযাচিত দুঃখ কিনি
খু্শির হাজারো মুহুর্তগুলো হাওয়ায় উড়ে যায় আপনি।
মেঘের দেশে আকাশ পানে হাওয়ায় ভেসে উড়ে চলি
পিছু টানে কষ্টেরা সব সম্মুখে মোর অন্ধ গলি।
জমানো শত সুখের দরে অযাচিত দুঃখ কিনি
খু্শির হাজারো মুহুর্তগুলো হাওয়ায় উড়ে যায় আপনি।
আলোর আশায় জেগেছি একা অশেষ তিমির রাত্রি
জেনেছি আমার কেউ হবে না বৈরি পথের যাত্রী।
জমানো শত সুখের দরে অযাচিত দুঃখ কিনি
খু্শির হাজারো মুহুর্তগুলো হাওয়ায় উড়ে যায় আপনি।
অশ্রু আমার শুকিয়ে গেছে কাঁদিনা আর যখন তখন
কষ্ট-বাড়ীর আস্ফালনে ভুলেছি সব সুখের কথন।
জমানো শত সুখের দরে অযাচিত দুঃখ কিনি
খু্শির হাজারো মুহুর্তগুলো হাওয়ায় উড়ে যায় আপনি।
সোমবার, ২২ অক্টোবর, ২০১২
সোমবার, ২ এপ্রিল, ২০১২
এ আহ্বান
সোনার ডানায় আকাশ পানে
মেলে দিলাম স্বপ্নগুলি
নরম মাটি পিছু টানে
উড়িয়ে হাওয়ায় ধূলোবালি।
পাহাড় টানে সাগর টানে
টানে চাঁদের জোছনা
স্রোতে ভেসে নৌকা টানে
ছুটে চলে মোহনা।
বাঁশির সুরে রাখাল টানে
হিজল গাছের ছায়ায় বসে
দুপুর রোদে কাশের বনে
টানে আমায় বিলের পাশে।
হাওয়ায় ভেসে মেঘের কোলে
আলো-ছায়ার লুকোচুরি,
পাহাড় টানে শীতল জলে
মাঠ পেরোনো স্বপ্ন-ঘুড়ি।
ঊষার কিরণ ছড়ায় দ্যুতি
শিশির ভেজা ধানের শীষে,
উড়ে বেড়ায় প্রজাপতি
রঙিন হয়ে ফুলের দেশে।
আঁধার রাতে আকাশ জুড়ে
হাজার তারার ঝিকিমিকি,
জ্যোৎস্না কেটে জোনাক উড়ে
আমি যে আর নই একাকী।
সবুজ বৃক্ষ টানে আমায়
আষ্টে-পৃষ্ঠে রাখে বেধে,
পুনর্জন্ম যদি গো হয়
এই মাটিতে আসব সেধে।
ফুলের দেশে পাখির দেশে
নিত্য করি আসা-যাওয়া,
জন্ম আমার বাংলাদেশে
এ যে আমার পরম পাওয়া।
ফুল-পাখিদের যাচ্ছি বলে
থেকো সুখে অনন্তকাল,
যদিবা আমি যাইগো চলে
মনে রেখ সন্ধ্যা-সকাল।
তাঁরার দেশে যাচ্ছি চলে
সকল মায়ার করে ত্যাগ,
শ্যামল ধরায় গেলাম ফেলে
বুকের মানিক ছোট্ট মেঘ।
* অকাল প্রয়াত সাংবাদিক-দম্পতি সাগর-রুনিকে উৎসর্গীকৃত
মেলে দিলাম স্বপ্নগুলি
নরম মাটি পিছু টানে
উড়িয়ে হাওয়ায় ধূলোবালি।
পাহাড় টানে সাগর টানে
টানে চাঁদের জোছনা
স্রোতে ভেসে নৌকা টানে
ছুটে চলে মোহনা।
বাঁশির সুরে রাখাল টানে
হিজল গাছের ছায়ায় বসে
দুপুর রোদে কাশের বনে
টানে আমায় বিলের পাশে।
হাওয়ায় ভেসে মেঘের কোলে
আলো-ছায়ার লুকোচুরি,
পাহাড় টানে শীতল জলে
মাঠ পেরোনো স্বপ্ন-ঘুড়ি।
ঊষার কিরণ ছড়ায় দ্যুতি
শিশির ভেজা ধানের শীষে,
উড়ে বেড়ায় প্রজাপতি
রঙিন হয়ে ফুলের দেশে।
আঁধার রাতে আকাশ জুড়ে
হাজার তারার ঝিকিমিকি,
জ্যোৎস্না কেটে জোনাক উড়ে
আমি যে আর নই একাকী।
সবুজ বৃক্ষ টানে আমায়
আষ্টে-পৃষ্ঠে রাখে বেধে,
পুনর্জন্ম যদি গো হয়
এই মাটিতে আসব সেধে।
ফুলের দেশে পাখির দেশে
নিত্য করি আসা-যাওয়া,
জন্ম আমার বাংলাদেশে
এ যে আমার পরম পাওয়া।
ফুল-পাখিদের যাচ্ছি বলে
থেকো সুখে অনন্তকাল,
যদিবা আমি যাইগো চলে
মনে রেখ সন্ধ্যা-সকাল।
তাঁরার দেশে যাচ্ছি চলে
সকল মায়ার করে ত্যাগ,
শ্যামল ধরায় গেলাম ফেলে
বুকের মানিক ছোট্ট মেঘ।
* অকাল প্রয়াত সাংবাদিক-দম্পতি সাগর-রুনিকে উৎসর্গীকৃত
সোমবার, ২৬ মার্চ, ২০১২
নগ্ন পদধ্বনি
মধ্যরাত্রি।
চারিদিক নিস্তব্ধ, নিঝুম।
রাস্তার মোড়ে একটি কুকুর
ডাকছিল থেকে থেকে অনবরত।
ঘরে শঙ্কিত সকলেই, নেই ঘুম
কারো চোখে।
এক অফুরন্ত প্রশ্নসূচক জিজ্ঞাসু
দৃষ্টিতে চেয়ে থাকেন বাবা,
পায়চারি করতে থাকেন আর।
-হঠাৎ দরজায়,
কড়া নেগে উঠে, বেশ জোরে।
শঙ্কিত দৃষ্টি আরও
দৃঢ় হতে থাকে সকলের। ওদিকে
দরজায় কড়া নড়ছে, জোরে আরও জোরে।
কেউ কিছু বলার আগেই পা টিপে টিপে
এগিয়ে গেলেন বাবা। খুলে দিলেন
এক মহারূদ্ধ অশুভ দ্বার; আর
সঙ্গে সঙ্গেই রাইফেল হাতে
প্রবেশ করল তিন জন,
না না, চারজন লোক।
বাবাকে ওরা নিয়ে গিয়েছিল ধরে।
বলেছিল, "যাব তো ফিরিয়ে
দিয়ে আবার"।
বাবা আর ফিরে আসেনি ঘরে, আমাদের মাঝে।
সেদিন আমি শুনেছিলাম
নগ্ন পদধ্বনি।
ওদের আমি পারিনি চিনতে ঠিক,
তবে ওই পদধ্বনি আমি শুনেছি বহুবার।
অবশেষে,
রুধির পরোধি তীরে দাঁড়িয়ে
দেখেছিল নতুন সূযোর্দয়, স্বাধীনতার,
সাত কোটি বাঙ্গালী।
আজ দুই যুগ হয়েছে অতীত,
তথাপি আমি শুনতে পাই
সেই পরিচিত
নগ্ন পদধ্বনি।
রাস্তার মোড়ে কুকুর ডেকে উঠে
সেদিনের মত আবার। অদূরে
গোরস্তানে মৃতক ব্যবচ্ছেদ করছে শেয়াল।
এ কোন অশুভ সংকেত?
আবার কেন ঘরের পাশে
শুনি পদধ্বনি? হ্যাঁ রাশি রাশি;
তাদের পায়ে বুট নেই, কেবল
সেই পরিচিত
নগ্ন পদধ্বনি।
রক্ত-স্রোতে বইছে শিহরণ
শিরায় উপশিরায়।
হস্ত-পেশী প্রকম্পিত।
আমি কি ভয় পাচ্ছি?
না না, অসম্ভব;
বিদগ্ধ হৃদয় নিয়ে আমি বেঁচে আছি
আজও - এই সবুজ চত্বরে
বাবার হাসিমাখা মুখচ্ছবি দেখব বলে।
শহীদের হাসি দেখব বলে
আজও প্রতীক্ষার প্রহর গুনছি।
কিন্তু আজ কেন এ লগনে
শুনছি নগ্ন পদধ্বনি?
হে বাংলার প্রহসনের স্বাধীনতা!
আর কতকাল থাকবে ওরা?
আর কতকাল শুনতে হবে
শহীদের বুকে
নগ্ন পদধ্বনি?
চারিদিক নিস্তব্ধ, নিঝুম।
রাস্তার মোড়ে একটি কুকুর
ডাকছিল থেকে থেকে অনবরত।
ঘরে শঙ্কিত সকলেই, নেই ঘুম
কারো চোখে।
এক অফুরন্ত প্রশ্নসূচক জিজ্ঞাসু
দৃষ্টিতে চেয়ে থাকেন বাবা,
পায়চারি করতে থাকেন আর।
-হঠাৎ দরজায়,
কড়া নেগে উঠে, বেশ জোরে।
শঙ্কিত দৃষ্টি আরও
দৃঢ় হতে থাকে সকলের। ওদিকে
দরজায় কড়া নড়ছে, জোরে আরও জোরে।
কেউ কিছু বলার আগেই পা টিপে টিপে
এগিয়ে গেলেন বাবা। খুলে দিলেন
এক মহারূদ্ধ অশুভ দ্বার; আর
সঙ্গে সঙ্গেই রাইফেল হাতে
প্রবেশ করল তিন জন,
না না, চারজন লোক।
বাবাকে ওরা নিয়ে গিয়েছিল ধরে।
বলেছিল, "যাব তো ফিরিয়ে
দিয়ে আবার"।
বাবা আর ফিরে আসেনি ঘরে, আমাদের মাঝে।
সেদিন আমি শুনেছিলাম
নগ্ন পদধ্বনি।
ওদের আমি পারিনি চিনতে ঠিক,
তবে ওই পদধ্বনি আমি শুনেছি বহুবার।
অবশেষে,
রুধির পরোধি তীরে দাঁড়িয়ে
দেখেছিল নতুন সূযোর্দয়, স্বাধীনতার,
সাত কোটি বাঙ্গালী।
আজ দুই যুগ হয়েছে অতীত,
তথাপি আমি শুনতে পাই
সেই পরিচিত
নগ্ন পদধ্বনি।
রাস্তার মোড়ে কুকুর ডেকে উঠে
সেদিনের মত আবার। অদূরে
গোরস্তানে মৃতক ব্যবচ্ছেদ করছে শেয়াল।
এ কোন অশুভ সংকেত?
আবার কেন ঘরের পাশে
শুনি পদধ্বনি? হ্যাঁ রাশি রাশি;
তাদের পায়ে বুট নেই, কেবল
সেই পরিচিত
নগ্ন পদধ্বনি।
রক্ত-স্রোতে বইছে শিহরণ
শিরায় উপশিরায়।
হস্ত-পেশী প্রকম্পিত।
আমি কি ভয় পাচ্ছি?
না না, অসম্ভব;
বিদগ্ধ হৃদয় নিয়ে আমি বেঁচে আছি
আজও - এই সবুজ চত্বরে
বাবার হাসিমাখা মুখচ্ছবি দেখব বলে।
শহীদের হাসি দেখব বলে
আজও প্রতীক্ষার প্রহর গুনছি।
কিন্তু আজ কেন এ লগনে
শুনছি নগ্ন পদধ্বনি?
হে বাংলার প্রহসনের স্বাধীনতা!
আর কতকাল থাকবে ওরা?
আর কতকাল শুনতে হবে
শহীদের বুকে
নগ্ন পদধ্বনি?
বুধবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১২
সোমবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০১২
জোনাক
রাতের বেলা যখন আমি
বসি মাঠের কাছে,
জোনাক পোকা দেখে তখন
প্রাণটা আমার নাচে।
আঁধার কেটে আলো জ্বেলে
ঘুরছ এদিক সেদিক,
তোমায় দেখে মুগ্ধ হয়ে
পথ হেটে যায় পথিক।
তোমার মত যদি আমার
থাকত এত আলো,
সত্যি বলছি নয়তো মিছে
লাগত কত ভালো।
উঠান জুড়ে ঘুরে বেড়াই
তোমায় ধরব বলে,
কখনোতো দাওনা বকে
তুমি ব্যথা পেলে।
তুমি আমার বন্ধু হবে
হবে আমার সাথী?
দু’জন বসে গল্প করে
কাটিয়ে দেব রাতি।
চলতে পথে যদি কখনো
পথ হেটে যাই একা,
ভয় যে আমার উবে যাবে
পেলে তোমার দেখা।
আঁধার রাতে তোমার সাথে
বলতে যে চাই কথা,
বল তুমি যাবেনা চলে
দিয়ে আমায় ব্যথা?
তোমার আলোয় আঁধার সরে
নেচে উঠে প্রাণ,
তোমায় পেয়ে ধণ্য জীবন
হোক না অবসান।
ছোট্ট তবু আঁধার মাঝে
ছড়িয়ে দাও আলো,
তোমায় দেখে সরে যেন
মোদের মনের কালো।
বসি মাঠের কাছে,
জোনাক পোকা দেখে তখন
প্রাণটা আমার নাচে।
আঁধার কেটে আলো জ্বেলে
ঘুরছ এদিক সেদিক,
তোমায় দেখে মুগ্ধ হয়ে
পথ হেটে যায় পথিক।
তোমার মত যদি আমার
থাকত এত আলো,
সত্যি বলছি নয়তো মিছে
লাগত কত ভালো।
উঠান জুড়ে ঘুরে বেড়াই
তোমায় ধরব বলে,
কখনোতো দাওনা বকে
তুমি ব্যথা পেলে।
তুমি আমার বন্ধু হবে
হবে আমার সাথী?
দু’জন বসে গল্প করে
কাটিয়ে দেব রাতি।
চলতে পথে যদি কখনো
পথ হেটে যাই একা,
ভয় যে আমার উবে যাবে
পেলে তোমার দেখা।
আঁধার রাতে তোমার সাথে
বলতে যে চাই কথা,
বল তুমি যাবেনা চলে
দিয়ে আমায় ব্যথা?
তোমার আলোয় আঁধার সরে
নেচে উঠে প্রাণ,
তোমায় পেয়ে ধণ্য জীবন
হোক না অবসান।
ছোট্ট তবু আঁধার মাঝে
ছড়িয়ে দাও আলো,
তোমায় দেখে সরে যেন
মোদের মনের কালো।
মঙ্গলবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১১
অন্য ভূবন
পৃথিবীর সমস্ত কাজ সাঙ্গ করে
আমরা বসেছি মুক্তার মালা গাঁথতে।
যে মালার সাথে এক হয়ে
বিনি সুতায় বাঁধা পড়ে দু'টি প্রাণ।
পূর্ণিমার চাঁদের সবটুকু আলো এসে
লুটোপুটি খাচ্ছে তোমার গায়ে।
আমি পাশে বসে তাই দেখি আর হাসি।
এ যেন এক অন্য ভূবন, অন্য জগৎ;
যেখানে কোন বাধা নেই,
যেখানে চাইলেই আমরা হেঁটে
যেতে পারি চিনের প্রাচির ধরে,
কিংবা মুহুর্তেই ঘুরে আসতে পারি
ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত
কিংবা কেনিয়ার গহীন বন।
এমন রাতে আমরা এক হয়ে
মিশে যাই আর মুক্তার দানার মত
মালা হয়ে রই কোন এক
অনাগত ভোরের আশায়।
আমরা বসেছি মুক্তার মালা গাঁথতে।
যে মালার সাথে এক হয়ে
বিনি সুতায় বাঁধা পড়ে দু'টি প্রাণ।
পূর্ণিমার চাঁদের সবটুকু আলো এসে
লুটোপুটি খাচ্ছে তোমার গায়ে।
আমি পাশে বসে তাই দেখি আর হাসি।
এ যেন এক অন্য ভূবন, অন্য জগৎ;
যেখানে কোন বাধা নেই,
যেখানে চাইলেই আমরা হেঁটে
যেতে পারি চিনের প্রাচির ধরে,
কিংবা মুহুর্তেই ঘুরে আসতে পারি
ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত
কিংবা কেনিয়ার গহীন বন।
এমন রাতে আমরা এক হয়ে
মিশে যাই আর মুক্তার দানার মত
মালা হয়ে রই কোন এক
অনাগত ভোরের আশায়।
বুধবার, ২০ এপ্রিল, ২০১১
পোকার রাজ্যে স্বাগতম
আমার চলার পথ
যা ধরে আমি ছুটে চলেছি
কিংবা ছুটে যাব
তা বড্ড বন্ধুর আর কণ্টকিত।
তাই খুব নিঃশব্দে আমার পথচলা,
পোকাদের মতো।
একটা পোকা যেমন খুব নিঃশব্দে উড়ে এস বসে
একটা ঘাসফুলে, ঠিক তেমনি আমি হেটে চলি
নিরবে।
আমি ভয় পাইনা অন্য কারো গ্রাস হওয়ার,
আমি ভয় পাইনা ডানা ভেঙ্গে মাটিতে পড়ে মৃত্যুর প্রহর গোনার।
কিন্তু আমার ভয় হয়,
যদি আমার পায়ের আওয়াজ শুনে ঘুম ভেঙ্গে
ভীত সণ্ত্রস্ত হয়ে জেগে উঠে কোন হুতুম-পেঁচা,
কিংবা ঘুম ভেঙ্গে যায় কোন সদ্যজাত প্রজাপতির,
কিংবা আমার আওয়াজ শুনে হঠাৎ করে উড়তে
গিয়ে কোন পোকা ধরা পরে মাকরশার মরনফাঁদে।
আমার ভয় হয়, তখন আমার ভয় হয়।
কারন তখন আমি বুঝতে পারি
আমার ডানা থাকলেও ডানা ভাঙ্গার জমাটবাধা কষ্ট এসে
ভর করে আমার কাঁধে।
মৃত্যুযণ্ত্রনার প্রতিটি মুহুর্তের শত কষ্ট বুকে চেপে
এমনি করেই আমার বিচরন, পোকাদের রাজ্যে।
বি.দ্রঃ এই কবিতার কিছু অংশ মল্লিকার সংযোজন করা
যা ধরে আমি ছুটে চলেছি
কিংবা ছুটে যাব
তা বড্ড বন্ধুর আর কণ্টকিত।
তাই খুব নিঃশব্দে আমার পথচলা,
পোকাদের মতো।
একটা পোকা যেমন খুব নিঃশব্দে উড়ে এস বসে
একটা ঘাসফুলে, ঠিক তেমনি আমি হেটে চলি
নিরবে।
আমি ভয় পাইনা অন্য কারো গ্রাস হওয়ার,
আমি ভয় পাইনা ডানা ভেঙ্গে মাটিতে পড়ে মৃত্যুর প্রহর গোনার।
কিন্তু আমার ভয় হয়,
যদি আমার পায়ের আওয়াজ শুনে ঘুম ভেঙ্গে
ভীত সণ্ত্রস্ত হয়ে জেগে উঠে কোন হুতুম-পেঁচা,
কিংবা ঘুম ভেঙ্গে যায় কোন সদ্যজাত প্রজাপতির,
কিংবা আমার আওয়াজ শুনে হঠাৎ করে উড়তে
গিয়ে কোন পোকা ধরা পরে মাকরশার মরনফাঁদে।
আমার ভয় হয়, তখন আমার ভয় হয়।
কারন তখন আমি বুঝতে পারি
আমার ডানা থাকলেও ডানা ভাঙ্গার জমাটবাধা কষ্ট এসে
ভর করে আমার কাঁধে।
মৃত্যুযণ্ত্রনার প্রতিটি মুহুর্তের শত কষ্ট বুকে চেপে
এমনি করেই আমার বিচরন, পোকাদের রাজ্যে।
বি.দ্রঃ এই কবিতার কিছু অংশ মল্লিকার সংযোজন করা
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)